সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল—যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও বর্তমানে পলাতক—তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে ভারত রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম।
তিনি বলেছেন, এ তথ্য তিনি সম্পূর্ণ জেনেশুনেই দিয়েছেন; এটা কোনো ভুল তথ্য নয়।
যদিও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এ বিষয়ে ভিন্নধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, তবুও প্রেস সেক্রেটারি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন—
যেভাবেই হোক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে।
এ বিষয়ে একজন আইন বিশেষজ্ঞও মত দিয়েছেন যে,
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ সম্পূর্ণভাবেই সম্ভব, কারণ এর আইনি ভিত্তি রয়েছে।
⸻
প্রত্যর্পণ চুক্তির প্রেক্ষাপট:
২০১৩ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে প্রত্যর্পণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়, সেখানে বলা আছে—
দুই দেশই চাইলে পরস্পরের পলাতক আসামিদের ফেরত দিতে পারে।
তবে চুক্তিতে বেশ কিছু ধারাবিধান আছে, যার কারণে পুরো প্রক্রিয়াটা খুব সহজ নয়।
অর্থাৎ, আইনি ও রাজনৈতিক—দুই দিকই বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
⸻
তাজা পরিস্থিতি:
সম্প্রতি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যর্পণ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারির দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাস চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
এতে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন—
সরকার চাইলে এবং চুক্তির অধীনে প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে ভারত থেকে তাকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

