বুকসমান পানি পেরিয়ে মরদেহ দাফন
ফালডাঙ্গী-নোনা সড়কে ব্রিজ না থাকায় চরম দুর্ভোগ, এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত স্থায়ী সেতু নির্মাণ
হরিপুর (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ৪ নম্বর ডাঙ্গীপাড়া ইউনিয়নের ফালডাঙ্গী-নোনা সংযোগ সড়কে দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী ব্রিজের অভাবে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুমে সড়কের একটি অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে অর্থ সংগ্রহ করে অস্থায়ীভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ফালডাঙ্গী গ্রাম থেকে ৩ নম্বর বকুয়া ইউনিয়নের নারগুন গ্রাম হয়ে খাগরতলা কবরস্থানে যেতে এই সড়কই একমাত্র ভরসা। কিন্তু ব্রিজ না থাকায় বর্ষাকালে বুকসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হয়। এতে শিক্ষার্থী, কৃষক, রোগীসহ সর্বস্তরের মানুষ প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ভোরে ফালডাঙ্গী গ্রামের নুরুল ও মফিজউদ্দিনের মা মফিজান বিবি (৮০) ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বিকেল ৩টায় বকুয়া রাজিউন রহমান হাফেজিয়া মাদ্রাসা মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরহুমার মরদেহ খাগরতলা কবরস্থানে দাফনের জন্য স্বজন ও গ্রামবাসীদের বুকসমান পানি পেরিয়ে নিয়ে যেতে হয়, যা উপস্থিত সবার মধ্যে বেদনার সৃষ্টি করে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, “জীবিত অবস্থায় যেমন কষ্ট করে চলাচল করতে হয়, মৃত্যুর পরও মরদেহ দাফনের জন্য একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ হলে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে।”
এলাকাবাসী জানান, সড়কটি কাঁচা হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কৃষকরা সময়মতো ফসল বাজারজাত করতে পারেন না, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং জরুরি রোগী পরিবহনও মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়।
স্থানীয়দের জোর দাবি, ফালডাঙ্গী-নোনা সংযোগ সড়কে দ্রুত একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ এবং সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হোক। তাদের মতে, এই ব্রিজ নির্মিত হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে এবং হাজারো মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত হবে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

